Green Tea এবং Black Tea উভয়ই একই গাছ থেকে আসে, কিন্তু এদের প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি ভিন্ন। Green Tea জারিত হয় না, ফলে এতে থাকা EGCG ক্যাটেচিন সংরক্ষিত থাকে। Black Tea সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়, যা EGCG-কে বিভিন্ন যৌগে রূপান্তরিত করে। এই পার্থক্য রক্তে শর্করার উপর এদের প্রভাবকে প্রভাবিত করে। EGCG (Epigallocatechin gallate) হলো একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা প্রধানত সবুজ চায়ে (Green Tea) পাওয়া যায়।

গ্রিন টি (Green Tea):
উপকারিতা: এটি খালি পেটের ব্লাড সুগার ও রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে বেশি সহায়ক। এতে থাকা উচ্চমাত্রার ক্যাটেচিন (Catechins) পেশিকোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সাহায্য করে।পদ্ধতি: দিনে ২-৩ কাপ পান করা সবচেয়ে ভালো।
ব্ল্যাক টি (Black Tea):
উপকারিতা: ব্ল্যাক টি-তে ‘Theaflavins’ নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি স্টার্চ হজমকারী এনজাইমকে বাধা দিয়ে খাওয়ার পরপরই ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করে।
পদ্ধতি: এটিও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, তবে গ্রিন টি-এর তুলনায় প্রভাব কিছুটা কম।
আরও পড়ুনঃ পা ফোলা কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে। চিকিৎসা এবং ঘরোয়া প্রতিকার
গুরুত্বপূর্ণ টিপস: চা খাওয়ার সময় তাতে চিনি, মধু বা দুধ মেশানো যাবে না। দুধ বা মিষ্টি যোগ করলে চায়ের ব্লাড সুগার কমানোর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
তবে, কোনো চা-ই জাদুকরী কোনো প্রতিকার নয়। একটির বদলে অন্য কোনো চা বেছে নেওয়ার চেয়ে সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মিষ্টিজাতীয় খাবারের পরিমাণ কমিয়ে আনা অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
0 মন্তব্যসমূহ